-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে আগে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানায় পাকিস্তান। স্বাগতিকরা শুরুতেই ম্যাচের দখল নিয়ে নেয়। পাকিস্তান বোলারদের বোলিং তোপে ৪৮ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা। টপ অর্ডারে কেবল জানেমান মালান ১৭ বলে ২৭ রান ও পাইট ফন বিলওন ১১ বলে ১৬ রান করেন। আর কেউ দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি।
সপ্তম উইকেটে ডেভিড মিলারকে সঙ্গ দিয়ে ১৭ রানের জুটি গড়েন ডুয়াইন প্রিটোরিয়াস। অষ্টম উইকেটে বিওর্ন ফরচুনকে নিয়ে ৪১ রানের জুটি গড়েন মিলার। ফরচুনের ব্যাট থেকে আসে ১২ বলে ৪২ রান। নবম উইকেটে লুথো সিপাম্লাকে নিয়ে আরও ৫৮ রান যোগ করেন মিলার। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা সংগ্রহ করে ৮ উইকেটে ১৬৪ রান।
দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দানবীয় ইনিংস খেলেন মিলার। ৪৫ বলে ৮৫ রান করেন তিনি। এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের বিধ্বংসী ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৭টি ছক্কা।
১৬৪ রানের জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে পাকিস্তানের পক্ষে দুর্দান্ত শুরু করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও হায়দার আলি। হায়দারকে বোল্ড করে ৫১ রানের জুটি ভাঙেন তাবরেজ শামসি। নিজের পরের ওভারে বোলিংয়ে এসেই রিজওয়ানকেও শিকার করেন তিনি। তৃতীয় ওভারে এসে হুসাইন তালাতকে বোল্ড করেন এই লেগ স্পিনার। নিজের শেষ ওভারে এসে আসিফ আলিকে আউট করেন শামসি।
শামসির বোলিংয়ে ম্যাচে ফিরে আসে দক্ষিণ আফ্রিকা। আগের ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় প্রিটোরিয়াস পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজমকে শিকার করেন। বাবর ৩০ বলে ৪৪ রান করেন। ১১৭ রানে ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান। ফর্মে থাকা ফাহিম আশরাফকে আউট করে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন ফরচুন।
ম্যাচ যখন দুই দলের মধ্যে পেন্ডুলামের মতো দুলছিল তখন মোহাম্মদ নওয়াজ ও হাসান আলি দ্রুত রান তুলে ম্যাচ পাকিস্তানের পক্ষে নিয়ে নেন। হাসান ৭ বলে ২০ রান ও নওয়াজ ১১ বলে ১৮ রানের অপরাজিত থেকে ম্যাচ জয় করে মাঠ ছাড়েন। এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতল পাকিস্তান। ম্যাচসেরা হয়েছেন হাসান।
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা ১৬৪/৮ (২০ ওভার)
মিলার ৮৫*, মালান ২৭;
জাহিদ ৩/৪০, নওয়াজ ২/১৩, হাসান ২/২৯।
পাকিস্তান ১৬৯/৬ (১৮.৪ ওভার)
বাবর ৪৪, রিজওয়ান ৪২*, হাসান ২০*;
শামসি ৪/২৫।
পাকিস্তান ৪ উইকেটে জয়ী।




