-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

তবে সেই মামলার তথ্য ভুল প্রমাণিত হওয়ায় আরাফাত সানি ও নার্গিস আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার ৪ নং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তাবাসুম ইসলাম মামলা অব্যাহতির আদেশ দেন।
নাসরিন সুলতানার অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক মো. ইয়াহিয়া গত ১৭ আগস্ট চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আরাফাত সানির সাথে বাদী নাসরিন সুলতানার কাবিনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এছাড়া আরাফাত সানি ও নাসরিন সুলতানা একটি হোটেলে যাতায়াত করতেন। তাদের বিয়ের কোনো সুষ্ঠু প্রমাণই দেখাতে পারেনি বাদীপক্ষ। প্রমাণ পাওয়া যায়নি সানির মায়ের বাদীকে মারধরের অভিযোগেরও।
নাসরিন সুলতানার অভিযোগের প্রেক্ষিতে চলতি বছরের শুরুতে আরাফাত সানিকে আটক করে পুলিশ। মামলায় নাসরিন দাবি করেন, ২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর সানির সাথে ৫ লক্ষ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয় তার। বিয়ের মাসছয়েক পরই সানি তার কাছে ২০ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা না পেয়ে তাকে সানি মারধর করেন বলেও উল্লেখ করেন নাসরিন।
তদন্ত প্রতিবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ইয়াহিয়া আরও উল্লেখ করেন, মামলার বাদী অর্থাৎ, আরাফাত সানির কথিত স্ত্রী নাসরিন সুলতানা মামলা দায়ের করার ক্ষেত্রে ভুল তথ্য প্রদান করেছেন। ফলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২০০০ (সংশোধিত ২০১৩) এর ১১(গ) ৩০ ধারা মতে, আসামিদের অব্যাহতির আবেদন করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হলো।
উল্লেখ্য, এই মামলার আগেও আরাফাত সানির বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা করেছিলেন নাসরিন সুলতানা।



