-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান আধিনায়ক শোয়েব মালিক। স্পিন দিয়ে স্বাগতিকদের বিপাকে ফেলার প্রচেষ্টা থেকেই হয়তো নিজেই বোলিং এ আসেন তিনি। কিন্তু তেমন সুবিধা করতে পারেননি। প্রথম ওভারে ১২ রান দিয়েছেন তিনি, এরপর আর বোলিং করতে দেখা যায়নি তাকে। ৩য় ওভারে পাকিস্তানকে ব্রেক থ্রু এনে দেন বাঁহাতি স্পিনার ইমাদ ওয়াসিম। ১২ রান খেলে ব্যক্তিগত ১৩ রানে ফখর জামানকে ক্যাচ দেন ক্লোটে।
কিন্তু এরপর উইকেটে আসেন অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসিস। আরেক ওপেনার হেন্ড্রিকসকে সাথে নিয়ে স্ট্রোক প্লের দুর্দান্ত মিশেলে দুজনে গড়েন ৬৯ বলে ১৩১ রানের অসাধারণ এক জুটি। ৪১ বলে ৭৪ রান করেন হেনড্রিকস। আর ডু প্লেসিস করেন ৭৮ রান, ৪৫ বল খেলে। এরপর আর তাদের ফিরে তাকাতে হয়নি। নির্ধারিত ২০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৯২/৬। পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন উসমান শেনওয়ারি, ৩১ রানে নেন ৩ উইকেট।
জবাব দিতে নেমে শুরুটা মোটেও ভাল হয়নি পাকিস্তানের। ইনিংসের ৩য় বলেই ফখর জামান ফিরে যান স্কোরবোর্ডে মাত্র ৪ রান জমা হতেই। এরপর বাবর আজম আর হোসেন তালাত ৮১ রানের জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ক্রমশঃ বাড়ছিল আস্কিং রেটের চাপ। সেই চাপ আর সামলে নিতে পারেনি পাকিস্তান। তালাত চায়নাম্যান শামসির শিকারে পরিণত হবার পর পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০ ওভারে ৮৫, ২ উইকেটে।
এরপর দৃশ্যপটে আসেন এই ম্যাচের আসল হিরো ডেভিড মিলার। সরাসরি থ্রোতে রান আউট করেন সেট ব্যাটসম্যান বাবরকে। এই ম্যাচে তিনি ক্যাচ নিয়েছেন ৪টি, সরাসরি থ্রোতে রান আউট করেছেন ২টি। এরপর এক প্রান্ত অধিনায়ক মালিক আগলে রাখলেও আরেকপ্রান্ত থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। মালিককে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি পাকিস্তানের আর কোন ব্যাটসম্যান। ম্যাচের প্রায় শেষ অব্দি যদিও লড়াই চালিয়েছেন মালিক। শেষ ওভারের তৃতীয় বলে ৪৯ রান করে আউট হন তিনি। ২০ ওভার শেষে পাকিস্তানের ইনিংস থামে ১৮৬ রানে, ৯ উইকেট হারিয়ে।
সিরিজের ২য় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে রবিবার, জোহানেসবার্গে।




