-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

ইতিহাসের দ্রুততম ডেলিভারির রেকর্ডটি শোয়েবের দখলে। ফাইল ছবি[/caption]
উদ্ভট দাবি করে আলোচনায় আসা এই পেসার মোহাম্মদ সামি, যিনি পাকিস্তানের হয়ে ৩৬টি টেস্ট, ৮৭টি ওয়ানডে ও ১৩টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। স্পিড গান বলের গতি গণনার মেশিন কাজ না করায় তার দ্রুতগতির ঐ দুই বলের রেকর্ড নেই বলে জানিয়েছেন সামি।
সম্প্রতি নিজের দেশের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চমকপ্রদ এই দাবি করেছেন সামি। তিনি বলেন, ‘এমন একটি ম্যাচ ছিল যেখানে আমি ১৬২ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা এবং ১৬৪ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে দুটি বল করেছিলাম। কিন্তু আমাকে বলা হয়েছিল- বোলিং মেশিন নাকি কাজ করছে না। তাই তারা বলের গতি গণনা করতে পারেনি।’
শোয়েবের যুগে সামিও অবশ্য এমন এক বোলার ছিলেন, যিনি নিয়ম করে বা বলে-কয়ে এভাবে 'গোলা' ছুঁড়তেন। তবে তাই বলে ১৬০ কিলোমিটারের বেশি হবে তার বলে গতি, তা অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। সেক্ষেত্রে তার যুক্তি, এমন দ্রুতগতির বোলিং কালেভদ্রে হয়, তাই সে সময় রেকর্ড না থাকাটা রীতিমত দুর্ভাগ্যের।
সামি বলেন, 'আপনি যদি বোলিং ইতিহাসের দিকে তাকান, দেখবেন যে বোলাররা ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বা তারও বেশি গতির সীমা অতিক্রম করেছে তারা এটা কেবল ১ বার বা ২ বার করেছে। এটা এমন নয় যে তারা নিয়মিত করতে থাকে। মাঝেমধ্যে এটা হয়েছে।’
[caption id="attachment_199466" align="aligncenter" width="700"]
মোহাম্মদ সামি। ফাইল ছবি[/caption]
২০০৩ বিশ্বকাপে ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুততম বলটা ডেলিভারি হয়েছিল শোয়েবের হাত থেকে। প্রায় দুই যুগ ধরে এখনও সেই রেকর্ড অক্ষুণ্ণ আছে। বলটি ছিল ঘণ্টায় ১৬১.৩ কিলোমিটার গতির। এই গতির খুব কাছাকাছি গিয়েছেন ব্রেট লি, শন টেইটরা। তবে ভাঙতে পারেননি কেউ। সামির এই দাবি তাই তুমুল আলোচনা আর বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে।
খেলোয়াড়ি জীবনে সামি অবশ্য বেশ দ্যুতি ছড়িয়েছেন। লম্বা সময় খেলেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। একসময় পাকিস্তানের জার্সিতে নিয়মিত দেখা যেত তাকে। ২০০১ সালে টেস্ট ক্রিকেট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় তার। ঐ বছরই অভিষিক্ত হন একদিনের ক্রিকেটে। ২০১২ সালে টেস্ট ও ২০১৫ সালে ওয়ানডে থেকে অবসর নেন। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির স্বল্প ক্যারিয়ার শুরু করেন ২০১০ সালে, পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর। ২০১৬ সালের মার্চে খেলেছেন শেষ টি-টোয়েন্টি।
বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। 




