-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

যারা ক্রিকেটের খবর রাখেন স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের অতিমানবীয় ব্যাটিং শৈলির কথা তাদের অজানা নয়। ১৯৩১ সালের ৩ নভেম্বর এক অতিমানবীয় ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্ল্যাকহিথ ও লিথগোয়ের বিপক্ষে এক ম্যাচে মাত্র ৩ ওভারের (২২ বলে) ভেতরেই তিন অঙ্ক স্পর্শ করেছিলেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান।
সে সময় ৮ বলে ওভার গণনা করা হতো। অর্থাৎ ৩ ওভারে ছিল ২৪টি বল। পুরোপুরি ৩ ওভারও লাগেনি, মাত্র ২২ বলেই সেঞ্চুরি করেছিলেন ব্র্যাডম্যান। এই শতক হাঁকাতে তার সময় লেগেছিল কেবল ১৮ মিনিট।
ব্র্যাডম্যান ক্রিজে আসার পরে প্রথম ওভার বল করেছিলেন স্থানীয় বোলার বিল ব্ল্যাক। তার সেই ওভারটিতে ৩৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন ব্র্যাডম্যান। শেষ বলে একরান নিয়ে ধরে রেখেছিলেন স্ট্রাইক। সেই ওভারটির পরিসংখ্যান ছিল- ৬ ৬ ৪ ২ ৪ ৪ ৬ ১।
পরের ওভারে বোলিং করতে আসেন হোরি বেকার। এই বোলারকেও নাস্তানাবুদ করে ছাড়েন তার। এই ওভারে তিনি নেন ৪০ রান! পরিসংখ্যানে যেটি দেখা যায় ৬ ৪ ৪ ৬ ৬ ৪ ৬ ৪। এই ওভার শেষে নন-স্ট্রাইক প্রান্তে যেতে হয়েছিল ব্র্যাডম্যানকে।
পরের ওভারে আবারো বোলিং করতে আসেন বিল। ওভারের প্রথম বলে এক রান নিয়ে ব্র্যাডম্যানকে স্ট্রাইক দেন তার সতীর্থ। ক্রিজে ফিরেই প্রথম দুই বলে ছক্কা হাঁকিয়ে পরের বলে এক রান নেন ব্রাডম্যান। পরের বলে এক রান নিয়ে আবারো তাকে ব্যাটিং প্রান্তে সুযোগ করে দেন সতীর্থ।
এবারে টানা তিন বলে দুইটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে শত রান স্পর্শ করেন ব্র্যাডম্যান। ২২ বলেই শতক স্পর্শ করেন ২৩ বছর বয়সী ব্র্যাডম্যান। সেই তিন ওভারে মোট রান এসেছিল ১০২। যেখানে তার সতীর্থের অবদান ছিল কেবল ২ রান।
ম্যাচটিতে শেষ পর্যন্ত ২৫৬ রান করেন ব্র্যাডম্যান। তার সেই বিধ্বংসী ইনিংসটিতে ছিল ২৯টি চার ও ১৪টি ছয়।
প্রসঙ্গত, ওডিআই ক্রিকেটের দ্রুততম শতকটি ৩১ বলে, দক্ষিণ আফ্রিকান তারকা এবি ডি ভিলিয়ার্সের। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৩০ বলে শতক হাঁকান গেইল। তবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম শতকের রেকর্ড ডেভিড মিলারের ৩৫ বলে। টেস্ট ক্রিকেটে ৫৪ বলে শতক হাঁকিয়ে সবার ওপরে ব্রেন্ডন ম্যাককালাম।
বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। 




