ডেথ ওভারে টাইগারদের বাজে পারফরম্যান্স

ধুম ধারাক্কা ক্রিকেটের যুগে টিটোয়েন্টি কিংবা একদিনের ম্যাচে শেষদিকে দ্রুত রান তোলা বড় সংগ্রহ করতে অথবা বড় রান তাড়া করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। শেষ ১০ ওভারে ৮০-১০০রান যোগ করা দেখা যায় হর হামেশাই।

অন সাইডে সাব্বিরের শট

 

Also Read - ওয়ার্নকে ছাড়িয়ে সাকিব


ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে বাংলাদেশ ২১ রানে হেরে বসে শেষদিকে হঠাত করে ধ্বসে পরায়। বাংলাদেশ শেষদিকে আফগানিস্তানের বিপক্ষেও ভাল করতে পারে নি। অনেকগুলো সমস্যার মধ্যে শেষদিকে দ্রুত রান তুলে ঠিকমত ইনিংস শেষ করার দিকটাও গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে দ্রুত উন্নতি দরকার টাইগারদের।

( ৬৯/৭) আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১ম ওয়ানডেঃ ৪০ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রান করার পর যখন সবাই ৩০০ রানের আশা করছিল ঠিক তখনই গোলমাল পাকিয়ে বসে টিম টাইগার্স। শেষ পর্যন্ত সব উইকেট হারিয়ে তোলে ২৬৫ রান।

(৫৪/৩) আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২য় ওয়ানডেঃ ১৫৪ রানে ৭ উইকেট পরে যাওয়ায় বিপাকেই ছিল টাইগাররা। তারপর মোসাদ্দেকের হার না মানা ৪৫ রানের সুবাদে ৫৪ রান তোলে বাংলাদেশ। ইনিংস শেষ হয় ২০৮ রানে। ম্যাচ হারে দুই উইকেটে।

(৬৪/৫) আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩য় ওয়ানডেঃ ২১৫ রান করার পর শেষ দশ ওভারে ঝড়ো ব্যাটিং আশা করছিল সবাই, ৩০০ এর উপরে কত হতে পারে তাই নিয়ে চলছিল গবেষণা। কিন্তু শেষ দশ ওভারে মাত্র ৬৩ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদশের ব্যাটসম্যানরা। শেষদিকে রিয়াদের ঝড়ো ৩২ রানের ২৭৯ রান তোলে বাংলাদেশ।

(৩২/৬) ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১ম ওয়ানডেঃ জয় যখন নিকট দুরত্বে তখনই ছন্দ পতন হয় টাইগারদের। ৪০ ওভার শেষে ২৫৬ রান ছিল স্কোরবোর্ডে। হাতে ছিল ৬ উইকেট। একসময় ২৭১ রানে ছিল চার উইকেট। শেষ ১৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকরা ম্যাচ হেরে বসে ২১ রানে।

এদিকে মি. ফিনিশার খ্যাত নাসির হোসেন দলে জায়গা পাচ্ছেন না। সম্ভবত ২য় ওয়ানডেতে একাদশে দেখা যেতে পারে রংপুরের এই ছেলেকে। তবে ফিনিশিংয়ে দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারবে কি না বাংলাদেশ তা ছেড়ে দেয়া যাক সময়ের হাতে।

-রাইয়ান কবির, প্রতিবেদক , বিডিক্রিকটিম ডট কম

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন