-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

ছবিঃ বিসিসিআই[/caption]
তবে আদতে তার দেখা মেলেনি একটুও। বরং আলোচিত ব্যাঙ্গালোর টেস্টের ইতি ঘটেছে মাত্র দুই দিনেই! প্রথম ইনিংসে ভারতের করা ৪৭৪ রানের জবাবে আফগানিস্তান নিজেদের প্রথম ইনিংসে সংগ্রহ করে ১০৯ রান। নগণ্য এই সংগ্রহে পড়তে হয় ফলো-অনে। তাতে দ্বিতীয় ইনিংসে আসে আরও ছোট সংগ্রহ- মাত্র ১০৩ রানের। এতে ভারত জয় পায় ইনিংস ও ২৬২ রানে।
প্রথম দিনের ৬ উইকেটে করা ৩৪৭ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। হার্দিক পান্ডিয়ার ৭১, রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ১৮, রবীন্দ্র জাদেজার ২০ ও শেষ দিকে উমেশ যাদবের অপরাজিত ২৬ রানের ঝড়ো ইনিংসে চড়ে স্কোরবোর্ডে আরও ১২৭ রান যোগ করে প্রথম ইনিংসে ৪৭৪ রানে অল-আউট হয় স্বাগতিকরা।
আফগান বোলারদের মধ্যে ইয়ামিন ৫১ রান খরচ করে সবচেয়ে বেশি ৩ উইকেট শিকার করেন। তার পাশাপাশি ওয়াফাদার ও রশিদ প্রত্যেকে ২টি করে উইকেট নেন। তাছাড়া মুজিব উর রহমান ও নবী নিজেদের ঝুলিতে নেন ১টি করে উইকেট।
ভারতের প্রথম ইনিংসে করা ৪৭৪ রানের জবাবে এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেই বিপাকে পড়ে সফরকারীরা। মোহাম্মদ শাহজাদ দারুণ শুরু করা স্বত্বেও বিপর্যয়ের সূত্রপাত ঘটে তাকে দিয়েই। পান্ডিয়ার থ্রোতে রান-আউটে শাহজাদ ব্যক্তিগত ১৪ ও দলীয় ১৫ রানে সাজঘরে ফেরার পর ম্যাচে শুরু হয় ভারতীয় বোলারদের আধিপত্য বিস্তার।
ইশান্ত শর্মা, উমেশ যাদবদের গতির সাথে বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে পরাস্ত হয়ে একে-একে সাজঘরে ফিরেন জাবেদ আহমেদি (১), রহমত শাহ (১৪), আফসার জাজাই ৬)। এই চার ব্যাটসম্যানের কেউই নিজেদের স্কোরকে দুই অংকের ঘরে নিয়ে যেতে পারেননি। এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা চালালেও ১১ রান করে অশ্বিনের স্পিনে কাটা পড়ে সাজঘরে ফিরেন স্টানিকজাই। আর আফগানিস্তান নিজেদের পঞ্চম উইকেট হারিয়ে বসে দলীয় ৫০ রানের মাথায়।
স্টানিকজাইকে ফেরানোর পর আরও ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেন অশ্বিন। তার বোলিং তোপে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। দলের প্রয়োজনের সময় অশ্বিনের ঘূর্ণিতে ব্যর্থ হয়ে সাজঘরের পথে হাঁটেন রশিদরা। এক প্রান্ত থেকে উইকেট হারাতে থাকলেও আরেক প্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট করতে থাকেন নবী।
তবে শেষ রক্ষা করতে পারেননি। অশ্বিনের ফাঁদে পা দিয়ে ২৪ রান করে দলীয় ৮৮ রানের সময় আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। আর এতে শেষ হয়ে যায় দলেরও শেষ আশা। শেষ উইকেট জুটিতে মুজিবের মারকুটে ১৫ রানে ১০০ রানের ঘরে প্রবেশ করলেও ১০৯ রানের বেশি করতে সক্ষম হয়নি দলটি।
প্রথম ইনিংসের ব্যর্থতার পর প্রত্যাশা ছিল দ্বিতীয় ইনিংসে ফলো-অন এড়ানোর পাশাপাশি লড়াকু পারফরম্যান্সের। তবে ঘটে ঠিক উল্টোটি। দলীয় ১৯ রানে শাহজাদকে হারিয়ে শুরু। এরপর ধীরে ধীরে উইকেটের পতন ঘটেছে নিয়মিত বিরতিতে।
মাঝখানে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন হাশমতউল্লাহ শহিদি ও অধিনায়ক আজগর স্টানিকজাই। তবে স্টানিজকাই সাজঘরে ফেরেন ২৫ রান করে। শহিদি ৩৬ রানে অপরাজিত থেকে দেখেছেন কেবল অপর প্রান্তে সতীর্থদের আসা-যাওয়া।
মাত্র ৩৮.৪ ওভার ব্যাট করে আফগানিস্তান তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয় ১০৩ রান করে। ভারতের পক্ষে রবীন্দ্র জাদেজা চারটি, উমেশ যাদব তিনটি, ইশান্ত শর্মা দুটি ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন একটি উইকেট লাভ করেন।
ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন শিখর ধাওয়ান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর





