-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

পাঁচ উইকেট পান ইমরান আলি।ছবিঃ বিসিবি[/caption]
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২৭৮ রানের লড়াকু পুঁজি পায় পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব। দুই ওপেনার জনি তালুকদার ও জাতিন সাক্সেনা দলকে ৪৮ রানের ভিত গড়ে দেন। পারটেক্সের রানের চাকাও ছিল সচল। ৪ চার ও ১ ছক্কায় ৩৩ বলে ৩৪ রান করে ফিরে যান জাতিন সাক্সেনা। আরেক ওপেনার জনিকেও ফেরান স্পিনার নাবিল সামাদ। জনির ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান।
ইরফান শুক্কুরকে নিয়ে ৫৪ রানের জুটি গড়েন সাজ্জাদ হোসেন। ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৪৬ রানের ইনিংস খেলেন সাজ্জাদ। দলীয় ১২০ রানের মাথায় নাবিল সামাদের তৃতীয় শিকার হন তিনি। সাজ্জাদুল হককে নিয়ে ৮৫ রানের জুটি গড়েন ইরফান। দুজনেই দেখা পান অর্ধশতকের। তাদের অর্ধশতকের সহায়তায় লড়াকু স্কোড়ের দিকে এগিয়ে যায় পারটেক্স। ৬৮ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলে রান আউট হন ইরফান। মুক্তারের বলে বোল্ড হওয়ার আগে সাজ্জাদুল করেন ৫৩ রান। শেষদিকে কিছুটা মন্থর ব্যাটিং করেন জুবায়ের আহমেদ। ২৮ বলে ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। তবে দলকে বড় স্কোর এনে দেয় রাজীবুলের ঝড়ো ব্যাটিং। ১৭ বল মোকাবেলা করে ৩০ রান সংগ্রহ করেন তিনি।
কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের কোনো ওপেনারই বড় স্কোড় গড়তে পারেননি। মেহরাব হোসেন জুনিয়র ১১ রান করে ফিরে যান মামুন হোসেনের বলে। সঙ্গী মোহাম্মদ আশরাফুল করেন ১২ রান। জসীমউদ্দিন ও মাসাকাদজা ৬৭ রানের জুটি গড়ে খেলায় ফেরান দলকে। দলীয় ৯৭ রানের মাথায় ৩৪ রান করে রাজীবুলের বলে আউট হন জসীমউদ্দিন। এরপর বেশিক্ষণ টিকেননি মাসাকাদজা (৪৫)। ১১৪ রানের মাথায় ইমরান আলির বলে বোল্ড হন তিনি। ঐ ওভারে তুষার ইমরানকেও ফেরান ইমরান। ৪৫ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন তাসামুল। তিনিও হন ইমরানের শিকার।
ইমরান আলির বোলিং তোপে পড়ে দিক হারিয়ে ফেলে কলাবাগান। দলীয় ১৭২ রানের মাথায় মুক্তার আলি ফিরে যান জাকারিয়া। এটি ছিল সপ্তম উইকেটের পতন। ৩৪ রান করে শেষ ভরসা হয়ে টিকে থাকা নুরুজ্জামান বোল্ড হন ইমরানের বলে। শেষে সঞ্জিত সাহাকে ফিরিয়ে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন ইমরান। লোয়ার অর্ডারে 




