-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

ক্রাইস্টচার্চের হেগলি ওভালে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে আগে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানান ইয়ন মরগান। দুই ভাই স্যাম কারান আর টম কারানের হাত ধরে ভালো শুরু পায় ইংল্যান্ড। রানের গতি আটকে রেখে শুরুতেই মার্টিন গাপটিলকে ফিরিয়ে দেন স্যাম কারান। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগেই আরেক ওপেনার কলিন মানরোকে (২১) প্যাভিলিয়নের পথ দেখান ক্রিস জর্ডান।
তৃতীয় উইকেটে দ্রুত রান তুলে রানের চাকা সচল রাখার চেষ্টা করেন কলিন ডি গ্রান্ডহোম ও টিম সেইফার্ট। দলীয় ৭২ রানে গ্রান্ডহোম (১৯) ফিরলে ভেঙে যায় জুটি। তিন ওভার পরেই ২৬ বলে ৩২ রান করা সেইফার্ট বিদায় নেন।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন অভিজ্ঞ রস টেলস। তার ৩৫ বলের ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও একটি ছয়। এছাড়া এক চার ও ২ ছয়ে ১৭ বলে ৩০ রান করেন ডারিল মিচেল। নির্ধারিত ২০ ওভারে স্বাগতিকরা সংগ্রহ করে ১৫৩ রান।
জবাবে দলীয় ৩৭ রানে প্রথম উইকেট হিসাবে ডেভিড মালানকে হারায় ইংল্যান্ড। আরেক ওপেনার জনি বেয়ারস্টো করেন ২৮ বলে ৩৫ রান। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ১টি ছয়। সফরকারীদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৯ রান (৩৮ বল) আসে জেমস ভিঞ্চে ব্যাট থেকে। তার ইনিংসটি সাজান ছিল ৭টি চার ও ২টি ছয়ে। দলকে জয়ের বন্দরে রেখে মাঠ ছাড়েন তিনি।
স্যাম বিলিংসকে সাথে নিয়ে বাকি কাজটুকু সারেন অধিনায়ক মরগান। তার ব্যাট থেকে আসে ২১ বলে অপরাজিত ৩৪ রান। ১১ বলে ১৪ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন বিলিংস। ১৮.৩ ওভারের জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। কিউইদের পক্ষে তিনটি উইকেটই পান মিচেল স্যান্টনার। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংলিশরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নিউজিল্যান্ড ১৫৩/৫ (২০ ওভার)
টেলর ৪৪, সেইফার্ট ৩২, ডারিল ৩০*, মানরো ২১, গ্রান্ডহোম ১৯
জর্ডান ২/২৮।
ইংল্যান্ড ১৫৪/৩ (১৮.৩ ওভার)
ভিঞ্চ ৫৯, বেয়ারস্টো ৩৫, মরগান ৩৪*, বিলিংস ১৪*, মালান ১১
স্যান্টনার ৩/২৩।
ফল: ইংল্যান্ড ৭ উইকেটে জয়ী।




