-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

চতুর্থ দিন জয়ের জন্য বরিশালের প্রয়োজন ছিল ১৫৮ রান। হাতে ছিল সাত উইকেট। তবে চতুর্থ দিনের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বরিশাল বিভাগের। দিনের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় বরিশাল বিভাগ। ৯ রান করা শামসুল ইসলামকে ফিরিয়ে দেন শুভাশিষ রয়। শুভাশিষের বলে নাঈম ইসলামের হাতে ক্যাচ তুলে দেন শামসুল ইসলাম।
এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন আল-আমিন এবং মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। অর্ধশতক তুলে নেন আল-আমিন। এ জুটি বরিশাল বিভাগের জয়ের সম্ভাবনা জোরালো করতে থাকে। কিন্তু ৫২ রান করে আল-আমিন রান আউট হলে এ ৪৩ রানের জুটি ভেঙে যায়। দআল-আমিনের বিদায়ের পর দ্রুত ফিরে যান মোসাদ্দেক হোসেনও। ৯ রান করে সাজেদুল ইসলামের শিকার হন মোসাদ্দেক হোসেন। ১২০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বরিশাল বিভাগ।
সপ্তম উইকেটে ৩১ রানের জুটি গড়েন সোহাগ গাজী এবং নুরুজ্জামান। ১৯ রান করে দলীয় ১৫১ রানের মাথায় রবিউল হকের বলে এলবিডব্লিউ হন সোহাগ গাজী। অধিনায়ক কামরুল ইসলাম রাব্বি একটি ছক্কা হাঁকালেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৮ রান করে কামরুল ইসলাম ফিরেন সঞ্জিত সাহার বলে। ১৬৯ রানে অষ্টম উইকেটের পতন ঘটলে ম্যাচে রংপুর বিভাগের জয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে পড়ে।
শেষ দুই উইকেটে দরকার ছিল ৬০ রান। এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন নুরুজ্জামান। নবম উইকেটের জুটিতে তাকে সঙ্গ দেন তানভীর ইসলাম। এ জুটি ম্যাচে উত্তাপ নিয়ে আসে। নবম উইকেটের এ জুটির স্থায়ীত্ব ছিল ১০৬ বল। এ জুটি ৫৪ রান যোগ করলে ম্যাচে বরিশাল বিভাগের জয়ের আশা উজ্জ্বল হয়। এ জুটি যেন রংপুর বিভাগের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়।
দলীয় ২২৩ রানের মাথায় এ জুটি ভাঙেন সঞ্জিত সাহা। ৫৪ বলে ১৬ রান করে সঞ্জিত সাহার বলে এলবিডব্লিউ হন তানভীর হোসেন। শেষ ব্যাটসমযান হিসেবে ক্রিজে আসেন তাওহিদুল ইসলাম। ক্রিজে টিকে থাকার কাজটি তিনি ঠিকমতো করলেও এক প্রান্ত আগলে রাখা নুরুজ্জামানই ফিরে যান। দলীয় ২২৪ রানের মাথায় নুরুজ্জামানকে ফেরান রবিউল হক। রবিউল হকের বলে ফারদিন হকের হাতে ক্যাচ দেন নুরুজ্জামান। বিফলে যায় তার ৩ চার ও ১ ছক্কার সাহায্যে ৪৬ রানের ইনিংস। পাঁচ রানের জয় পায় রংপুর বিভাগ।
এর আগে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪৭ রান করেছিল রংপুর বিভাগ। ৪৬ রান করেছিলেন রাকিন আহমেদ। পাঁচ উইকেট শিকার করেন সোহাগ গাজী। বোলিংয়ে এসে বরিশাল বিভাগকে লিড নিতে দেয়নি রংপুর বিভাগ। তাদেরকেও গুটিয়ে দেয় ১৪৭ রানে। বরিশাল বিভাগের হয়ে ৪০ রান করেন রাফসান আল মাহমুদ। পাঁচ উইকেট নেন শুভাশিষ রয়।
দ্বিতীয় ইনিংসে মাহমুদুল হাসানের ৬৭ রানের সুবাদে ২২৯ রান করে রংপুর বিভাগ। এছাড়া ৩৫ রান করে সোহরাওয়ার্দী শুভ। পাঁচ উইকেট নেন মনির হোসেন। দুইটি করে উইকেট লাভ করেন কামরুল ইসলাম রাব্বি এবং সোহাগ গাজী।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ রংপুর বিভাগ ১৪৭/১০, প্রথম ইনিংস, ৭৪ ওভার
রাকিন ৪৬, নাঈম ৩৯, রবিউল ১৭
সোহাগ গাজী ৫/৪০, মনির ২/১১, তাওহিদুল ১/১৫
বরিশাল বিভাগ ১৪৭/১০, প্রথম ইনিংস, ৫০ ওভার
রাফসান ৪০, কামরুল ২৭*, নুরুজ্জামান ১৮
শুভাশিষ ৫/৪৯, তানবির ২/১৯,
রংপুর বিভাগ ২২৯/১০, দ্বিতীয় ইনিংস, ১০৪.৫ ওভার
মাহমুদুল ৬৭, শুভ ৩৫, সাজেদুল ২৭*
মনির ৫/২৪, কামরুল ২/৩৫, সোহাগ গাজী ২/৬৫
বরিশাল বিভাগ ২২৪/১০, দ্বিতীয় ইনিংস, ৮০.২ ওভার, লক্ষ্য ২২৯ রান।
আল-আমিন ৫২, নুরুজ্জামান ৪৬, মোসাদ্দেক ২৯
রবিউল ৪/৬৩, শুভাশিষ ২/৪৪, সঞ্জিত ২/৪৩





