-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

১০৫ রানের জুটি গড়েন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও হায়দার আলি[/caption]
করাচির জাতীয় স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করার আমন্ত্রণ পায় পাকিস্তান। রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন বাবর আজম, তাকে শিকার করেন অকিল হোসেন। ফখর জামানও সুবিধা করতে পারেননি। ১০ বলে ১০ রান করে তিনি শিকার হন রোমারিও শেফার্ডের। ৩৫ রানে ২ উইকেট হারায় পাকিস্তান।
তৃতীয় উইকেটে ১০৫ রানের জুটি গড়েন রিজওয়ান ও হায়দার। রিজওয়ানকে শিকার করে এই জুটি ভাঙেন শেফার্ড। সাজঘরে ফেরার আগে রিজওয়ান করেন ৫২ বলে ৭৮ রান। ফর্মের তুঙ্গে থাকা ব্যাটারের ব্যাট থেকে আসে ১০টি চার। তবে এই ইনিংসের পথে রিজওয়ান কোনো ছক্কা হাঁকাতে পারেননি।
রিজওয়ান ফেরার পরে দ্রুতই বিদায় নেন আসিফ আলি ও ইফতিখার আহমেদ। এরপরেই হায়দারের সাথে জুটি বেঁধে সাইক্লোন বইয়ে দেন মোহাম্মদ নওয়াজ। হায়দার ও নওয়াজের ১১ বলের জুটি আসে ৩০ রান। হায়দার ডমিনিক ড্রেকসের শিকার হলে ভেঙে যায় এই জুটি। মাঠ ছাড়ার আগে হায়দার করেন ৩৯ বলে ৬৮ রান। তার ইনিংসটিতে ছিল ৬টি চার ও ৪টি ছক্কা।
১০ বলে ৩০ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন নওয়াজ। এই দুর্দান্ত ইনিংসের পথে তিনি হাঁকান ৩টি চার ও ২টি ছক্কা। নির্ধারিত ২০ ওভারে পাকিস্তান সংগ্রহ করে ৬ উইকেটে ২০০ রান।
[caption id="attachment_184040" align="aligncenter" width="800"]
পাকিস্তান দলের উল্লাস[/caption]
ব্যাট হাতে ঝড় তোলার পরে বল হাতেও নিজের প্রথম বলেই ব্রেন্ডন কিংকে সাজঘরের পথ দেখান নওয়াজ। দ্বিতীয় উইকেটে জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন শাই হোপ ও নিকোলাস পুরান। তবে এক চার ও দুই ছক্কা হাঁকিয়েই মোহাম্মদ ওয়াসিমের বলে বোল্ড হন পুরান। হোপও সাজঘরে ফেরেন ২৬ বলে ৩১ রান করে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮৮ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে হারের ক্ষণ গণনা শুরু করেন। তখন অষ্টম উইকেটে ৪৬ রানের জুটি গড়েন ওডেন স্মিথ ও শেফার্ড। স্মিথকে বোল্ডকে পথের এই কাঁটা ভাঙেন শাহীন আফ্রিদি। ছয় বল হাতে রেখেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অলআউট করে ৬৩ রানের জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।
পাকিস্তানের ওয়াসিম চারটি, শাদাব খান তিনটি এবং শাহীন, নওয়াজ ও হারিস রউফ একটি করে উইকেট শিকার করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ অলআউট হয় ১৩৭ রানে। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ ১৪ ডিসেম্বর।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
পাকিস্তান ২০০/৬ (২০ ওভার)
রিজওয়ান ৭৮, হায়দার ৬৮, নওয়াজ ৩০*;
শেফার্ড ২/৪৩।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৩৭/১০ (১৯ ওভার)
হোপ ৩১, স্মিথ ২৪, পাওয়েল ২৩, শেফার্ড ২১;
ওয়াসিম ৪/৪০, শাদাব ৩/১৭।
পাকিস্তান ৬৩ রানে জয়ী।
বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। 




