-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং করতে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আন্দ্রে ফ্লেচার ওপেনিং এ সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হন। ১৬ বলে করেন ১২ রান। ক্রিস নেমেই ৭ বলের ক্যামিও ইনিংস খেলে বিদায় নেন। মাইকেল সেপসনের শিকারে পরিণত হয়ে মাঠ ছাড়ার আগে ২টি চার ও ২টি ছক্কায় ৭ বলে ২১ রান করেন।
লেন্ডল সিমন্স চারে নেমে ধীরে খেলতে থাকেন। অপরপ্রান্তে এভিন লুইস তুফান ছোটাতে থাকেন। ২৩ বলে অর্ধশতক পূরণ করেন লুইস। মিচেল মার্শকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ৩৪ বলে ৭৯ রান করে আউট হন তিনি। তার ২৩২.৩৫ স্ট্রাইকরেটের টর্নেডো ইনিংসটি সাজানো ছিল ৪টি চার ও ৯টি ছক্কায়। ১০ ওভারেই ১০০ রান পূর্ণ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
লুইস ফেরার পরে কিছুটা ধীর গতিতে এগোতে থাকে ক্যারিবিয়ানরা। চারে নামা সিমন্স পুরো ইনিংসেই সংগ্রাম করেন। তবে সুইপসনের এক ওভারে ৩ ছক্কা ও এক চারে ২৫ রান সংগ্রহ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আবার ঝড়ো গতিতে ফেরান অধিনায়ক পুরান। সিমন্স আউট হন ২৫ বলে ২১ রানের এক অস্বস্তিকর ইনিংস খেলে।
ব্যাট হাতে আর সাফল্য পাননি আন্দ্রে রাসেল, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন ও ড্যারেন ব্রাভো। পুরানও মাঠ ছাড়েন ১৮ বলে ৩১ রান করে। হেইডেন ওয়ালশ ৮ বলে ১২ রানে অপরাজিত থাকেন। ফলে ২০ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পায় ১৯৯ রানের সংগ্রহ। অজিদের পক্ষে অ্যান্ডু টাই ৩টি এবং মার্শ ও অ্যাডাম জাম্পা ২টি করে উইকেট নেন।
বড় লক্ষ্যের জবাব দিতে নেমে অস্ট্রেলিয়া কোনো বড় জুটি গড়তে পারেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকলেও তাদের স্কোরকার্ডে রান জমতে থাকে। তবে জয়ের জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। অজিদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৪ রান (২৩ বল) করেন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। মার্শের ব্যাট থেকে আসে ১৫ বলে ৩০ রান।
ময়জেস হেনরিকসের ১৪ বলে ২১ রান, ম্যাথু ওয়েডের ১৮ বলে ২৬ রান, সেপসনের ১২ বলে ১৪ রানের ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে অস্ট্রেলিয়া সংগ্রহ করতে পারে ১৮৩ রান, হারায় ৯টি উইকেট। ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে শেলডন কটরেল ও আন্দ্রে রাসেল ৩টি করে উইকেট শিকার করেন।
১৬ রানের এই জয়ে ৪-১ ব্যবধান সিরিজ জয় করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচসেরা খেলোয়াড় হয়েছেন এভিন লুইস ও সিরিজ সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন হেইডেন ওয়ালশ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯৯/৮ (২০ ওভার)
লুইস ৭৯্, পুরান ৩১, গেইল ২১, সিমন্স ২১;
টাই ৩/৩৭, মার্শ ২/১২, জাম্পা ২/৩০।
অস্ট্রেলিয়া ১৮৩/৯ (২০ ওভার)
ফিঞ্চ ৩৪, মার্শ ৩০, ওয়েড ২৬;
কটরেল ৩/২৮, রাসেল ৩/৪৩।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৬ রানে জয়ী। 




