-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শেদিন টস জিতে বোলিংয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং শেষে মনে হচ্ছিল যেন ভুল সিদ্ধান্তই নেয়া হয়েছিল। কারণ নির্ধারিত ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা সংগ্রহ করেছিল ২১৪ রান। এতো বড় লক্ষ্য তাড়া করে টি-টোয়েন্টিতে জয়ের রেকর্ড ছিল না টাইগারদের। কিন্তু সেদিন ঠিকই রেকর্ড গড়েছিলেন মুশফিক-তামিমরা।
দুই কুশলের (কুশল মেন্ডিস ও কুশল পেরেরা) তান্ডবে রানের পাহাড় গড়েছিল শ্রীলঙ্কা। মেন্ডিস করেন ৩০ বলে ৫৭ ও পেরেরা ৪৮ বলে ৭৪ রান। এছাড়া গুণাথিলাকার ২৬ ও থারাঙ্গার ঝড়ো ৩২ রানে বড় সংগ্রহ পায় তারা।
মাহমুদউল্লাহ ও মিরাজ ছাড়া বাংলাদেশের সব বোলারদের ইকোনমিক রেটই ছিল দশের অধিক। মুস্তাফিজ পেয়েছিলেন ৩ উইকেট। তবে ৪ ওভারে খরচ করেছিলেন ৪৮ রান। রিয়াদ ২ ওভারে ১৫ রানে নিয়েছিলেন ২ উইকেট।
তামিম-লিটনের কল্যাণে ব্যাটিংয়ে দুর্দান্ত সূচনা পেয়েছিল বাংলাদেশ। সেদিন বাংলাদেশের পক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ওপেনিংয়ে সর্বোচ্চ ৭৪ রানের জুটি গড়েন তারা। তাদের গড়া ওপেনিংয়ের সেই রেকর্ড এখনও কেউ ভাঙেনি।
তামিম ২৯ বলে ৪৭ ও লিটন করেছিলেন ১৯ বলে ৪৩। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ও ম্যাচে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ৫টি ছয়ের মার আসে লিটনের ব্যাট থেকে। লিটন-তামিম সাজঘরে ফেরার পর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন 




