-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে মালিককে ফেরানোর পর মাশরাফি[/caption]
জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নামা পাকিস্তানকে শুরুতেই ভড়কে দিয়েছিল বাংলাদেশের বোলিং লাইনআপ। দলীয় রান ২০ পার হওয়ার আগেই সাজঘরে স্বাগতিকদের তিন ব্যাটসম্যান। দ্রুত অলআউট করার যে আশা পুষেছিল বাংলাদেশ, সেই আশার গুঁড়েবালি হল ইমাম-উল-হকের ব্যাটে। তাকে কিছুক্ষণ যোগ্য সঙ্গ দিয়ে শোয়েব মালিক ব্যক্তিগত ৩০ রানের মাথায় ফিরলেও ইমাম পথ হারাননি। ২৪ বল খেলে মাত্র ৪ রান করা শাদাব খানকে ফিরিয়ে সৌম্য সরকার উল্লাস করতে পারেননি বেশিক্ষণ। কারণ তার বিদায়ে ক্রিজে আশা আসিফ আলী ইমামের সাথে মিলে হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বাংলাদেশের জয়ের পথের কাঁটা।
তবে সেই কাঁটা দূর করার দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করলেন উইকেটের পেছনে থাকা লিটন। ইমামকে রিয়াদের বলে এবং আসিফকে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে স্ট্যাম্পিং করে প্রায়শ্চিত্তও করলেন যেন একটি সহজ ক্যাচ মিসের। প্রায়শ্চিত্ত হোক বা যা-ই, লিটনের ঐ দুটি স্ট্যাম্পিংই ম্যাচে ফেরায় বাংলাদেশকে। দুটি চার ও একটি ছক্কায় ১০৫ বলে ৮৩ রান করা ইমাম ও তিনটি চারে ৪৭ বলে ৩১ রান করা আসিফের পর পাকিস্তানকে পথ দেখানোর মত কেউ ছিলেন না অপরাজিত ব্যাটসম্যানদের মধ্যে।
বাংলাদেশের একাদশে এদিন স্পেশালিষ্ট বোলার ছিলেন চারজন। পুরো ১০ ওভার বল করে একজন বোলারের অভাক ঘুচিয়েছেন রিয়াদ। রিয়াদের সমান ইকোনোমি রেটে (৩.৮) ৫ ওভার বল করেছেন সৌম্যও। তাতে মাশরাফি, মুস্তাফিজ, মিরাজ এবং রুবেলের উপর থেকে চাপ কমেছে, একইসাথে দৃশ্যমান হয়েছে দলের পার্ট টাইম বোলারদের কার্যকারিতাও। তবে সবাইকে ছাড়িয়ে এদিন বোলার মুস্তাফিজ যেভাবে দ্যুতি ছড়িয়েছেন, যাতে ঝলসে গেছে 




