-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেই ধাক্কা খায় টাইগাররা।[/caption]
শেষ ওভারে হার্দিক পান্ডিয়ার ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১১ রান। যার প্রথম ৩ বল থেকেই চলে আসে ৯! পরের তিন বল থেকে ১ রান আসলেও টাই, আর তখন জয়ের জন্য দরকার মাত্র ২ রান। এমন অবস্থান থেকে পাড়ার দলও বোধহয় জয় ছাড়া ফিরতে পারত না।
কিন্তু দলটা বাংলাদেশ! মুশফিক পরপর দুটো চার হাঁকানোর পর জয় থেকে ২ রান দূরে থাকতেই করতে থাকেন বিজয়ের উদযাপন। আর সেই উদযাপনে ঘি ঢালতে পরের বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ধরা পড়েন শিখর ধাওয়ানের হাতে। তখনও আশা ছিল, ভালোভাবেই ছিল, কেননা স্ট্রাইকে তখন আরেক সেট ব্যাটার মাহমুদুল্লাহ। কিন্তু রিয়াদও কাটা পড়লেন।
ইতিহাস ঘাটলেও এমন ম্যাচ খুঁজে পাওয়া কঠিন। অথচ নজিরবিহীন দৃষ্টান্তের জন্ম দিয়ে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে থাকা একটি ম্যাচ ১ রানে হেরে আসে বাংলাদেশ।
অন্য যেকোনো দল হলে এই পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে পরবর্তীতে কাজে লাগাত। কিন্তু বাংলাদেশ ভুল থেকে কমই শিখেছে। যার প্রমাণ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চলমান সপ্তম আসর। প্রথম পর্ব থেকে শুরু করে মূল পর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ ৪টি ম্যাচ খেলেছে। আর প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই হাতের মুঠো থেকে ফসকে গেছে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ।
[caption id="attachment_176582" align="aligncenter" width="780"]
বোলারদের সঠিক ব্যবহার নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।[/caption]
প্রথম পর্বের ম্যাচগুলো থেকে শিক্ষা নিলে অন্তত শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারত মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের দল। কিন্তু বাংলাদেশ প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই ডমিনেটের জায়গা থেকে ফিরে এসেছে। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে অনেক কথাই হয়েছে। সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডের তো দাঁড়াবারই কথা ছিল না! অথচ বাংলাদেশ ম্যাচটাই হেরে গেছে। যে স্কটল্যান্ড ১০০ করতে পারবে কিনা তা নিয়েই সকলে সন্দিহান ছিলেন, তারাই স্কোরবোর্ডে ১৪০ রান জড়ো করে ফেলে।
মজার ব্যাপার হল- স্কটল্যান্ড কিন্তু ৫৩ রান তুলতেই হারিয়ে ফেলেছিল ৬ উইকেট। তবুও আমরা ঠিকমতো চেপে ধরতে পারিনি। প্রতিপক্ষের বেশ কয়েকটা উইকেট পড়ে গেলেই বাংলাদেশ দলের মাঝে একটা আত্মতৃপ্তি চলে আসে, যার সুযোগ নেয় প্রতিপক্ষ দল এবং তা কাজেও লাগায়। আর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে গিয়ে তার চরম মূল্য দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
পাপুয়া নিউগিনির সাথেও একই অবস্থা। বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে খর্বশক্তির
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আশা জাগিয়েও জিততে পারেনি বাংলাদেশ।[/caption]
শ্রীলঙ্কা ১৭২ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতে চাপে পড়লেও সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ায়। পাল্টা আক্রমণে বাংলাদেশকে দারুণভাবে ম্যাচে ফেরান 




