-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

মোহাম্মদ রিজওয়ান ও হাসান আলি[/caption]
জোহানেসবার্গে টস জিতে টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। উড়ন্ত সূচনা করেন ইয়ানেমান মালান ও এইডেন মারক্রাম। কিন্তু ১৬ বলে ২৪ রান করেই বিদায় নেন মালান। ভিয়ান লাবকে শিকার করে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় উইকেট শিকার করেন হাসান আলি। ৩৬ রানে ২ রানে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
তৃতীয় উইকেটে ৬২ রানের জুটি গড়েন মারক্রাম ও হেনরিখ ক্লাসেন। অর্ধশতক হাঁকিয়ে মোহাম্মদ নওয়াজের শিকারে পরিণত হন মারক্রাম। ৩২ বলে ৫১ রান করেন তিনি। ১টি ছক্কা ও ৮টি চার হাঁকান তিনি। অর্ধশতক তুলে নেন ক্লাসেনও। ২৮ বলে ৫০ রান করেন তিনি। অধিনায়কের ইনিংসে ছিল ৪টি ছক্কা ও ২টি চার। বিদায় নেওয়ার আগে পাইট ফন বিওর্নের সাথে গড়েন ৬১ রানের জুটি।
নির্ধারিত ২০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা সংগ্রহ করে ৬ উইকেটে ১৮৮ রান। পাইট করেন ২৪ বলে ৩৪ রান। পাকিস্তানের পক্ষে নওয়াজ ও হাসান ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
জবাবে বাবর আজম ধীর শুরু করলেও মোহাম্মদ রিজওয়ান স্বভাবসুলভ ব্যাটিং শুরু করেন। ১৪ বলে ১৪ রান করা বাবরকে শিকার করেন বিউরান হেনড্রিকস। নাটকীয়ভাবে দলে ডাক পাওয়া ফখর জামান ১৯ বলে ২৭ রান করে তাবরেজ শামসির শিকারে পরিণত হন। ততক্ষণে পাকিস্তান সংগ্রহ করে ফেলে ১০ ওভারে ৮৬ রান।
মোহাম্মদ হাফিজ, হায়দার আলি ও নওয়াজ দ্রুতই বিদায় নেন। ১৩২ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। তবে ফাহিম আশরাফের তান্ডবে ম্যাচ নিজেদের পক্ষে নিয়ে চলে আসে পাকিস্তান।
শেষ ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১১ রান। প্রথম বলেই জর্জ লিন্ডের হাত গলে ফাহিমের ক্যাচ পড়ে গেলেও পরের বলেই লিজার্ড উইলিয়ামসের বলে বোল্ড হন ফাহিম। দলকে জয়ের বন্দরে তিনি ফেরেন ১৪ বলে ৩০ রান করে। তার টর্নেডো ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ১টি ছক্কা।
হাসান আলি নেমেই প্রথম বলে চার হাঁকিয়ে চাপকে মুক্তি দিয়ে দেন। পরের দুই বলে ৫ রান সংগ্রহ করে এক বল বাকি থাকতেই পাকিস্তানকে জয় এনে দেন তিনি। রিজওয়ান অপরাজিত থাকেন ৫০ বলে ৭৪ রান করে। তার ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও ২টি ছক্কা।
পাকিস্তান পায় ৪ উইকেটের জয়। এই জয়ে চার ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সফরকারীরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা ১৮৮/৬ (২০ ওভার)
মারক্রাম ৫১, ক্লাসেন ৫০, পাইট ৩৪;
নওয়াজ ২/২১, হাসান ২/২৮।
পাকিস্তান ১৮৯/৬ (১৯.৫ ওভার)
রিজওয়ান ৭৪*, ফাহিম ৩০, ফখর ২৭, হাসান ৯*;
হেনড্রিকস ৩/৩২, শামসি ২/২৯।
পাকিস্তান ৪ উইকেটে জয়ী।




