-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

১৯৭৫ সালের অ্যাশেজে অভিষেক হয়েছিল তার। অস্ট্রেলিয়ার ডেনিস লিলি, জেফ থমসন আর ম্যাক্স ওয়াকারকে নিয়ে গড়া ধারালো বোলিং আক্রমণ কুপোকাত করে দেয় ইংল্যান্ডকে। প্রথম ইনিংসে যেন উইকেট তোলার প্রতিযোগিতায় নামেন ওয়াকার আর লিলি। অবশ্য সেই প্রতিযোগিতা হয় ড্র। দুজনই নেন পাঁচটি করে উইকেট। গ্রাহাম গুচ শিকার হয়েছিলেন ম্যাক্স ওয়াকারের। পাঁচ নম্বরে নেমে ৩ বলে ০ করে ফিরে যান গুচ। অস্ট্রেলিয়ার ৩৫৯ রানের জবাবে ইংল্যান্ড অলআউট ১০১ রান করে।
পরের ইনিংসে জ্বলে উঠলেন জেফ থমসন। তার গতি ছিল ব্যাটসম্যানদের মনে ভয় জাগানোর মতো। তার পাঁচ উইকেট নেওয়ার পথে উইকেট কিপারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরত যান গ্রাহাম গুচ। এই ইনিংসেও পারেননি রানের খাতা খুলতে। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের তোপে পড়ে যেই ম্যাচে পুরো ইংল্যান্ড দল ২০ উইকেটে রান করেছে ২৭৪, সেই ম্যাচে ২১ বছর বয়সী অভিষিক্ত একজন ক্রিকেটারের ডাক নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ ছিল কম।
তবে লর্ডসে পরের টেস্টে যেখানে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ যথাক্রমে ৩১৫ আর ৭ উইকেটে ৪৩৬ (ডিক্লেয়ার্ড) সেখানে তার অবদান ছিল ৬ আর ৩১। এরপর বাদ দেওয়া হয় তাকে।
তবে গ্রাহাম গুচ দমে যাওয়ার পাত্র ছিলেন না। এসেক্সের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ১৯৭৮ সালে দলে ফিরেছিলেন তিনি। ফিরে আসার ম্যাচটাও ছিল লর্ডসে,
এরপর ১৯৮৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ছিল ইংলিশদের জন্য ভরাডুবির। পাঁচ টেস্টে অধিনায়ক ছিলেন চারজন। সেই সিরিজ ইতিহাসে লেখা আছে 'সামার অব ফোর ক্যাপ্টেনস' হিসেবে। তবে সিরিজে ধারাবাহিক ছিলেন গুচ। প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসে ৭৩ আর ১৪৬, চতুর্থ টেস্টের অর্ধশতক আর পঞ্চম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিন একাই লড়াই করে ৮৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
১৯৮৯ সালের অ্যাশেজে ৪-০ তে হারে ইংল্যান্ড। সেই পরাজয়ের পর অধিনায়ক গাওয়ার পদত্যাগ করলে ফুল-টাইম ক্যাপ্টেন্সি দেওয়ার জন্য গুচ ছাড়া হাতে আর কোনো বিকল্প ছিল না ইংল্যান্ডের। অ্যাশেজের পর ইংল্যান্ড গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে। গুচের নেতৃত্বে ১৯৭৩ সালের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট জিতে ইংল্যান্ড। সিরিজে গুচ হাতে চোট পেলে ছিটকে পড়েন। সিরিজটাও জেতা হয়নি ইংল্যান্ডের।
তবে গুচ ছিলেন ফর্মের তুঙ্গে। লর্ডসে 




