-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও সৌম্য সরকার পাচ্ছেন এমন হাসির উপলক্ষ্য। ©বিডিক্রিকটাইম[/caption]
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার দশমী ছিল আজ (১৯ অক্টোবর)। বছরের এই দিনটিকে সবচেয়ে বিশেষভাবে নেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। পেশাদারিত্বের তাগিদে পূজায় যোগ না দিয়ে সৌম্য ব্যস্ত ছিলেন মাঠে, সেখানে পেয়েছেন শতক। সৌম্যর দৃষ্টিতে — ‘বিশেষ’ শতক!
ম্যাচ শেষে আলাপকালে সৌম্য জানালেন, জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার কষ্ট বা ফেরার তাড়নাজনিত কোনো চাপ ছাড়াই খেলেছেন ১০২ রানের এই ইনিংস, ‘ওরকম কোনো চিন্তা করিনি যে এখানে ভালো করলে আমি জায়গা পাবো বা এমন কিছু। ন্যাশনাল লিগে ভালো করেছি, এখানেও ভালো করার চেষ্টা ছিল। ঐ চেষ্টাই ছিল যে উইকেটে থাকার, যতক্ষণ থাকতে পারি। বেশি রান ছিল না।’
[caption id="attachment_59584" align="aligncenter" width="640"]
সৌম্য সরকার। ©বিডিক্রিকটাইম[/caption]
আন্তর্জাতিক ম্যাচ না হলেও এই ম্যাচের মর্যাদাও কম ছিল না। কোনো জাতীয় দলের বিপক্ষে দলের নেতৃত্বের ভার নিয়ে খেলা, তার উপর ম্যাচ জেতানো ইনিংস। শতক হাঁকানোর পর উদযাপনেও দেখা গেল উচ্ছ্বাস। সৌম্য বলেন, ‘একশ তো একশই। একশ রানের উদযাপন একটু আলাদাই হয়।’ তবে জানালেন, এই শতক তার কাছে ‘স্পেশাল বা বিশেষ কিছু।’
খেলার কারণে বিজয়া দশমীর কোনো আনুষ্ঠানিকতাই পালন করা হয়নি। জয় এবং শতকের তৃপ্তি নিয়ে যখন কথা বলছেন, দুর্গাপূজার শেষদিনের কিছু অংশ তখনও বাকি। প্রতিমা বিসর্জন শেষে অবশ্য হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মনে বিষাদের সুর বাজছে। পূজায় যেতে না পারার দুঃখ কি নেই সৌম্যর মনে? থাকলেও সেটি ধরা দিল না। না থাকাটাও অস্বাভাবিক নয়। প্রতিমা বিসর্জনের দিনে তিনি যে পেশাদারিত্বের খাতিরে বিসর্জন দিয়েছেন ধর্মীয় উৎসবের সারাটাদিনকেই — এই যে পেশাদার ক্রিকেটারের জীবন!
সৌম্য বলেন, ‘প্রথমে খেলার তারিখ জানতাম না। পরিকল্পনা ছিল বাসায় যাবো। হঠাৎ করে যখন বলা হল খেলতে হবে, তখন একটু খারাপ লেগেছিল প্রথমে... চার-পাঁচ বছর পর পূজার ছুটি পেয়েছিলাম। পরে নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করলাম যে খেলা যেহেতু লাগবেই সেহেতু চিন্তা না করাই ভালো। যেতে যেতে তো রাত হয়ে যাবে। বাসার সবাই সাতক্ষীরাতে, ঢাকায় কেউ নেই। তো মণ্ডপে আর যাওয়া হবে না।’





