-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

বিডিক্রিকটাইম: ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে একটু যাই। আপনার অভিষেক তো হয় লর্ডসে। সে সময়টার কথা যদি বলতেন...
রবিউল ইসলাম: অভিষেক হয় ২০১০ সালে।
আর আমি বাদ পড়িনি। খারাপ খেলে সুযোগ না পেলে বলতাম বাদ পড়েছি। আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
জিম্বাবুয়ে সিরিজে আমি খেলার সুযোগ পাইনি। টেলর-সিবান্দারা জিজ্ঞাসা করেছিল আমি নাই কেন। আমি বলেছিলাম আমি আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য ফিট না। তারা বলে, "কে বলেছে?" জবাব দেই, "আমার কোচ।" তারা অনেক অবাক হয়। আক্ষেপ হয়ে গালিগালাজও করে।
বিডিক্রিকটাইম : ফেরার জন্য কি কি করলেন?
রবিউল ইসলাম : উইন্ডিজ সিরিজ থেকে ফেরার পর একবার শোল্ডাড় ডিসলোকেটেড হয়ে যায়। একারণে খেলার বাইরে ছিলাম কিছুদিন। এরপর অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছিলাম। এনসিএল খেলছিলাম নিয়মিত। ডিপিএলে ২০১৬ সালে কলাবাগান একবার আমাকে দলে নেয়। ২০১৭ সালে ব্রাদার্স ইউনিয়ন আমাকে দল নেয়। ঐবার আমি এক ছাদে ওঠার পর পায়ে পেরেক ঠুকে যায়। আমি কিছুদিন অনুশীলন করতে পারিনি। আর মাঠে নামা হয়নি। তবে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিলাম তিনটা। সাতটার মত উইকেট পেয়েছিলাম। বিপিএলে রংপুর রাইডার্সের মালিক ছিল সাতক্ষীরার। তিনি আমাকে নিতে চেয়েছিলেন। দেশের ১৩ জন ক্রিকেটার নেওয়ার নিয়ম ছিল। আমি ফর্ম পূরণের আগেই ঐ ১৩ জনের কোটা সম্পন্ন হয়ে যায়। আমার আর খেলা হয়নি। মাঝে এনসিএলে খেলেছি।
ডিপিএলে কম দেখা গেলেও রবিউল ইসলাম ছিলেন জাতীয় ক্রিকেট লিগ আর বিসিএলের নিয়মিত মুখ। নানান সময় হয়েছেন জয়ের নায়ক। ৭৭ টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে পেয়েছেন ২২৪ উইকেট।
বিডিক্রিকটাইম : একটু ভিন্ন প্রসঙ্গ। আমাদের দেশে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য পেসাররা নিজেদের প্রস্তুত করতে পারেন কি? প্রথম শ্রেণির ক্রিকেতে ওরকম উইকেট আছে? সবসময় শীর্ষ উইকেট শিকারী থাকেন স্পিনাররা।
রবিউল ইসলাম : শুধু উইকেটকে দোষ দেওয়া যাবে না।আবহাওয়াটাও ফ্যাক্টর। আমাদের দেশে তো কখন বৃষ্টি হয়, কখন রোদ হয় ঠিক নাই। কিউরেটর চাইলেও অনেক সময় স্পোর্টিং উইকেট বানাতে পারে না। স্পোর্টিং উইকেট হলো যেখানে ব্যাটসম্যান ব্যাটিং করে মজা পাবে আর বোলার বোলিং করে মজা পাবে।। এখানে বল হঠাৎ লাফ দেয়, হঠাৎ নিচু হয়। সাথে আমাদের পেস বোলারদের চেষ্টাটাও কম বলে আমার মনে হয়। আমি মনে করি, আমাদের পেসারদের যদি চেষ্টা আর ইচ্ছা থাকে তবে একদিন পেসারদের ওপরেও ভরসা করা হবে।
বিডিক্রিকটাইম: ক্যারিয়ারে বেশি ম্যাচ খেলেননি। আফসোস নিয়েই শেষ করলেন?
রবিউল ইসলাম: সুযোগ না পেলে তো আফসোস হয়ই। তবে বিসিবির কারো প্রতি আমার কোনো রাগ নেই। মুশফিক এখনো বলেন, রবিউলই বাংলাদেশের সর্বশেষ পেসার হিসেবে টেস্টে এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছে।





