-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ম্যাচ পাতানোয় জড়িয়ে আট বছরের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি পান আশরাফুল। তারপর শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে সেটা পাঁচ বছরে নামানো হয়। এরমধ্যে আবার দুই বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা থাকায় আসলে শাস্তিটা ৩ বছরের। ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট থেকে চলতে থাকা সেই শাস্তি ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট থেকে আংশিকভাবে তুলে নেওয়া হয়। ফলে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে বিসিবির অধীনে আয়োজিত সকল ঘরোয়া ক্রিকেট এবং আইসিসির অন্যান্য সদস্য দেশের বোর্ডের অধীনে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট অপেক্ষা নিম্ন মানসম্পন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান তিনি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরে জাতীয় লিগ, প্রিমিয়ার লিগে ফিরে শুরুতে খুব একটা ভাল করতে পারেন নি একসময়ের বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান। তবে এবার যেন অন্যরূপে হাজির তিনি। ব্যাটে রানের ফোয়ারা ছুটছে যেন।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে আশরাফুলের পাঁচ সেঞ্চুরি ৪৪ বছরের ইতিহাসে এক রেকর্ড। এর আগে 'লিস্ট এ' তে এক লিগে বাংলাদেশের কোন ব্যাটসম্যানের তিন সেঞ্চুরির রেকর্ডই ছিল না। যদিও তার দল কলাবাগানকে রেলিগেশন ম্যাচের মুখে পড়তে হয়েছে। ফলে সেঞ্চুরি করে দল জেতানো আশরাফুলের ক্ষেত্রে কমই হয়েছে। তবুও এবারের লিগে তিনি অনন্য। ১৩ ম্যাচ খেলে পাঁচ শতক আর এক অর্ধশতক মিলে ৬৬.৫০ গড়ে মোট ৬৬৫ রান করেছেন। এখন পর্যন্ত রানসংখ্যায় তিনিই শীর্ষে। ক্যারিয়ারের সেই উজ্জ্বল সময় যেন পিছু ফিরে ডাকছে আশরাফুলকে। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সর্বশেষ প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে ৫ ম্যাচে করেছিলেন ১২৩ রান। তবে এই মৌসুমের শুরুটা করেছিলেন সেঞ্চুরি দিয়ে। এই মৌসুম জুড়ে যেন পুরনো আশরাফুলকে দেখা যাচ্ছে। যদিও তা ঘরোয়া লিগে। তবু আশরাফুল তো আশরাফুলই। ফুল হয়ে টাইগারদের বাগানে সেই যে ফুটেছিলেন, মাঝে ঝরে পড়ার আশংকা জাগিয়েও আবার সুবাস ছড়াচ্ছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় ‘ট্র্যাজিক হিরো’।
দুই বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা শেষে আসন্ন আগস্টের ১৩ তারিখেই কাটছে আশরাফুলের সব নিষেধাজ্ঞার খরা। যে ফর্মে আছেন তাতে আবার মাঠে দেখতে উৎসুক অনেকেই। তার ভক্তরা আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন তাকে লাল-সবুজের জার্সিতে দেখার। কেউ কেউ তো তাকে এখনই জাতীয় দলে সুযোগ করে দেওয়ার পক্ষেও আওয়াজ তুলছেন। অনেকে আবার তাকে আরও সময় নিয়ে ফেরার কথা বলছেন। কিন্তু, যাকে নিয়ে এত ভাবনা তিনি কি তাই ভাবছেন? উত্তরটা 'না'। সম্প্রতি তিনি নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন জাতীয় দলের স্বপ্ন এখন তাকে ভাবায় না। তিনি নিকট ভবিষ্যতেও জাতীয় দলে খেলার কথা ভাবতেই চান না। বরং আসন্ন বিপিএলে খেলার দিকেই তার মনোযোগ। কোন অতি উৎসাহী কি বলছে তা নিয়ে তিনি ভাবছেন না। খেলায় আর ফিটনেসে উত্তরোত্তর মনোযোগ দেওয়াই এখন তার লক্ষ্য। ওজন কমিয়েছেন, শ্রম দিচ্ছেন নিজের টেকনিক নিয়েও।
প্রিমিয়ার লিগে আশরাফুল ভাল খেলেছেন তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু ব্যাটে স্ট্রোকের ফুলঝুরি আগের চেয়ে কম। অনেক দেখেশুনে খেলেছেন এবার। ১৩ ইনিংসে বাউন্ডারি ছিল ৬৭টি আর ওভার বাউন্ডারি ছিল মোট ৫টি। স্ট্রাইক রেটও তুলনামূলক কম। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে লাগাম টেনে ধরে রান করার দিকে মনোযোগ দেওয়ার কারণেই তার রানসংখ্যা বেড়েছে। জাতীয় দলে এমন একজন খেলোয়াড় অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু আশরাফুল নিজেও জানেন তার সময়ের চেয়ে এখনকার সময়টা আলাদা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এখন টেকনিক্যালি অনেক এগিয়ে গেছে। আর ঘরোয়া ক্রিকেটের সাথে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পার্থক্যও বেড়েছে। খেলার নতুন ধাঁচের সাথে ধাতস্থ হতে বিপিএলে খেলা তাই তার জন্য জরুরী। কেননা সেখানেই একমাত্র আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটারদের সাথে এবং আন্তর্জাতিকমানের পিচে খেলার সুযোগ পাবেন তিনি। ফলে তার প্রাথমিক টার্গেট তাই বিপিএল-ই হবে। বিসিএলও আছে সামনে। মোটকথা জাতীয় দলে খেলতে হলে পারফরম্যান্স ও ফিটনেসের কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে তার সামনে।
বয়স মাত্র ৩৩। এখনই ফুরিয়ে যান নি তাতো প্রমাণ করেছেন। এবার সামনের কঠিন পরীক্ষা শেষে খুব শীঘ্রই জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেখা যাবে বাংলাদেশের প্রথম 'পোস্টারবয়' আশরাফুলকে এমন প্রত্যাশা সকল ভক্তের। আর কেনই বা থাকবে না প্রত্যাশা, ভক্তদের যে দুঃখ তিনি দিয়েছিলেন তার চড়া মূল্য তিনি ভোগ করেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যে। সেই লড়াইয়ে বিপিএল খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে আবার সুবাস ছড়াবেন একসময় টাইগারদের বাগানে সবচেয়ে উজ্জ্বল 'আশরাফুল', এমনটা আশা করা মোটেও বাড়াবাড়ি নয়।





