-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

প্রথম টি-১০ লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। তার দল কেরালা কিংস ফাইনালে পাঞ্জাবি লিজেন্ডসকে ৮ উইকেটে হারায়। অন্যদিকে সেমি-ফাইনালে পাঞ্জাবি লিজেন্ডসের কাছে ৯ উইকেটে হেরেছে তামিম ইকবালের পাখতুন্স।
দল চ্যাম্পিয়ন হলেও ব্যক্তিগত অবদান রাখার সুযোগ কমই পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। কেরালা কিংসের হয়ে পাঁচ ম্যাচে মাঠে নামেন সাকিব। ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগ পান দুই ম্যাচে। রান করেন ৭।
প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে নামেননি তিনি। বোলিংয়ে ছিলেন দারুণ। এক ওভারে মাত্র পাঁচ রান দিয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথমবারের মতো ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ রান করেন সাকিব। ঐ ম্যাচে ১ ওভারে রান দিয়েছিলেন ১৪। তৃতীয় ম্যাচে বোলিং আক্রমণে সাকিবকে আনেননি অধিনায়ক ইয়ন মরগান। ব্যাটিংয়ে নামার আগেই ম্যাচ জিতে গিয়েছে কেরালা কিংস। সেমি-ফাইনালেও দেখা যায়নি বোলিংয়ে। ফাইনালে বল হাতে ২ ওভারে ৩১ রান দেন তিনি। ৮ জন ব্যাটসম্যানকে নামার অপেক্ষায় রেখেই ম্যাচ জিতে যায় কেরালা কিংস। অপেক্ষায় ছিলেন সাকিবও। বোলিংয়ে সব মিলিয়ে ৪ ওভারে ৫০ রান দিয়েছেন তিনি।
বিসিবির শুনানির কারণে পাখতুন্সের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি বাঁহাতি ওপেনার তামিম ইকবাল। পাখতুন্সের হয়ে তিনটি ম্যাচে মাঠে নামেন তামিম। প্রথম ম্যাচেই ব্যাট হাতে ঝড় তুলেন তিনি। পুরো দশ ওভার ক্রিজে থেকে ২৭ বল খেলে ৫৬ রান করে অপরাজিত থাকেন এবং ম্যাচসেরার পুরস্কার পান তামিম। তার ইনিংসে ছিল ৫ চার ও ৪ ছক্কা। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি তিনি। করেন ৮ রান। সেমি-ফাইনালে ৮ বল মোকাবেলা করে ১৭ রানের ছোট্ট কিন্তু দ্রুতগতির ইনিংস খেলে ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। সব মিলিয়ে তিন ইনিংসে ৮১ রান করেন তিনি।





