-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। শুরুতে কিছুটা দেখেশুনে খেলেন দুই ওপেনার ইহসানউল্লাহ এবং মোহাম্মদ শাহজাদ। নিজের বলে নিজে ক্যাচ ধরে ইহসানউল্লাহকে ফিরিয়ে দিয়ে ২৮ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ নওয়াজ। পরের ওভারের প্রথম বলে ফিরিয়ে দেন আরেক ওপেনার শাহজাদকে। ৩১ বলে ২০ রান করেন তিনি। হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি করলেও পারেননি নওয়াজ।
তবে ৩১ রানের মাথায় দুই উইকেট তুলে নিয়ে আফগানদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন তিনি। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে প্রতিরোধ গরেন রহমত শাহ এবং হাসমতউল্লাহ শাহিদী। দুজন মিলে যোগ করেন ৬৩ রান। এ জুটিতে ভর করে ঘুরে দাঁড়ায় আফগানিস্তান। ৫১ বলে ৩৬ রান করা রহমত শাহকে ফিরিয়ে দিয়ে এ জুটি ভাঙেন নওয়াজ।
এরপর আফগানিস্তান এগিয়ে যায় আসগর আফগান আর হাসমতউল্লাহ শাহিদীর জুটিতে। দুজন মিলে গড়েন ৯৪ রানের জুটি। অর্ধশতক তুলে নেন দুজনেই। ঝড়ো গতিতে রান তুলেন আসগর। তার ৫৭ বলে ৬৭ রানের ইনিংসে ছিল ২ চার ও ৫ ছক্কা। দলীয় ১৮৮ রানের মাথায় আসগর হন শাহিন শাহ আফ্রিদির শিকার।
মোহাম্মদ নবী রাখতে পারেননি কার্যকরী ভূমিকা। ৭ রান করে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে হাসান আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন তিনি। হাসান আলির বলে বোল্ড হওয়া নাজিবুল্লাহ জাদরান করেন ৬ বলে ৭। শেষে গুলদাবিন নাইব করেন অপরাজিত ৭ বলে ১০।
এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন শাহিদী। ইনিংসের শেষে অপরাজিত ছিলেন তিনি। মাত্র তিন রানের জন্য পাননি শতক। ১১৮ বলে ৯৭ রান করে অপরাজিত ছিলেন শাহিদী। ৬ উইকেটের বিনিময়ে ২৫৭ রান করে আফগানিস্তান।
জবাব দিতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানের। এসেই আঘাত হানেন মুজিব উর রহমান। ইনিংসের প্রথম ওভারের শেষ বলে মুজিবের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে রানের খাতা খোলার আগে ফিরে যান ওপেনার ফখর জামান। ইমাম উল হক আর বাবর আজম গড়েন ১৫৪ রানের জুটি। তাদের জুটিতে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেয় পাকিস্তান।
এ জুটিতে জয়ের পথে এগিয়ে যেতে থাকে পাকিস্তান। অর্ধশতক পার করে শতকের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন ইমাম উল হক। ১০৪ বলে ৮০ রান করে দলীয় ১৫৪ রানের মাথায় রান আউট হয়ে ফিরেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৫ চার আর ১ ছক্কা। এক ওভার পরেই ফিরেন বাবর আজম। ৯৪ বলে ৬৬ রান করে বাবর আজম হন লেগ স্পিনার রশিদ খানের শিকার।
চতুর্থ উইকেটে হারিস সোহেল এবং শোয়েব মালিক যোগ করেন ৩৬ রান। এ জুটি ভাঙেন মুজিব উর রহমান। থিতু হয়ে গেলেও বড় স্কোর গড়তে পারেননি হারিস। ২১ বলে ১৩ রান করে হন মুজিবের শিকার। সরফরাজ আহমেদকে সাথে নিয়ে হাল ধরেন শোয়েব মালিক। যোগ করেন ২০ রান। গুলদাবিন নাইবের এক স্লোয়ার ফুল্টসে ১২ বলে ৮ রান করে বোল্ড হন সরফরাজ।
শেষ পাঁচ ওভারে পাকিস্তানের দরকার ৪২ রান। ৪৬ তম ওভারে বোলিংয়ে এসে মাত্র ৩ রান দেন মুজিব। রশিদ খানের করা পরের ওভারে দ্বিতীয় বলে বিশাল ছক্কা আসিফ আলি। পরের বলে আবারো উড়িয়ে মারতে গিয়ে আসিফ ধরা পড়েন আফতাবের হাতে। ঐ ওভারে ১০ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। আফতাবের করা পরের ওভারে নওয়াজের ছক্কার সুবাদে রান হয় ১১। দুই ওভারে ২১ রান নিয়ে নিজেদের পাল্লা ভারী করে পাকিস্তান।
শেষ দুই ওভারে ১৮ রান প্রয়োজন ছিল পাকিস্তানের। রশিদ খান তৃতীয় বলে বোল্ড করেন নওয়াজকে (১০)। ক্রিজে এসেই ছক্কা হাঁকান হাসান আলি। ঐ ছক্কায় কমে আসে বল আর রানের ব্যবধান।
শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১০ রান। প্রথম বলে ড্রাইভ করলেও রান নেননি শোয়েব মালিক। ফিরিয়ে দেন অপর প্রান্তে থাকা হাসান আলিকে। পরের বলে কিছুটা শর্ট লেন্থে করা বলটিকে গ্যালারিতে পাঠান মালিক। ঠিক যেমন এমন বলই চাচ্ছিলেন তিনি! এ ছয়ে ম্যাচ চলে আসে পাকিস্তানের হাতে। পরের বলে চার মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন মালিক। পূর্ণ করেন অর্ধশতকও। দুই বল ও তিন উইকেট হাতে রেখে জয় পায় পাকিস্তান।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ আফগানিস্তান ২৫৭/৬, ৫০ ওভার
শাহিদী ৯৭*, আসগর ৬৭, রহমত ৩৬
নওয়াজ ৩/৫৭, শাহিন ২/৩৮
পাকিস্তান ২৫৮/৭, ৪৯.৪ ওভার
ইমাম ৮০, বাবর ৬৬, মালিক ৫১*
রশিদ ৩/৪৬, মুজিব ২/৩৩




