-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

বিগ ব্যাশে ওভারের সপ্তম বলে উইকেট ।[/caption]
গতকাল সিডনি সিক্সার্সের বিপক্ষে ম্যাচে পার্থ স্কর্চার্সের ওপেনার ক্লিঙ্গার ওভারের সপ্তম বলেই আউট হয়েছেন। মূলত, আম্পায়ারের গণনায় ভুলের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। তবে ভুল ধরা পড়লেও সিদ্ধান্ত বদলানো যায়নি। ক্রিকেটের ১৭.৫.২ ধারা অনুযায়ী ‘আম্পায়ার যদি বল গণনায় ভুল করেন, তবে আম্পায়াররা যেটা ধরেছেন, সে অনুযায়ী ওভার হবে।’
এদিকে, পরে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াও নিশ্চিত করেছে সিদ্ধান্ত না বদলানোর কারণটি। এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়, ‘দেখা গেছে ওভারের বল হিসাবে ভুল হয়েছিল এবং আম্পায়াররা সাত বল করিয়েছেন। বলটা যখন করা হয়েছে তখন সবকিছু নিয়ম ও ক্রমানুযায়ী হচ্ছে বলেই মনে হয়েছে, তাই এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। এ ঘটনা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী সাধারণ সভায় প্রতিবেদনে তোলা হবে এবং এ নিয়ে মন্তব্য তখন জানিয়ে দেওয়া হবে।’
এদিন, স্কর্চার্সের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ক্লিঙ্গার আউট হন। অ্যাশটন টার্নারের নেতৃত্বে জেতার জন্য ১৭৮ রান তাড়া করছিল স্কর্চার্স। কিন্তু শুরুতেই ধাক্কা খায় তারা। বেন ডোয়ারশুইসের প্রথম ওভারে আউট হন তিনি। ক্লিঙ্গার ক্যাচ দেন স্টিভ ও’কিফিকে। যদিও তা ছিল ওভারের সাত নম্বর বল। ক্যাচ ঠিকঠাক নেওয়া হয়েছে কিনা, তা দেখার জন্য তৃতীয় আম্পায়ারের সাহায্যও নেওয়া হয়। কিন্তু সেটা যে ওভারের সাত নম্বর বলে হয়েছে, এটাই কেউ খেয়াল করেননি।
দুই আম্পায়ার যেমন এটা উপলব্ধি করেননি, তেমনই ব্যাটসম্যান ক্লিঙ্গারও তা বোঝেননি। পাঁচ বলে ২ রান করে ফিরে যান ক্লিঙ্গার। ম্যাচের শেষে অবশ্য এই ঘটনা তাৎপর্য হারায়। কারণ, ক্যামেরন ব্যানক্রফটের ৬১ বলে ৮৭ রানের সুবাদে সাত বল বাকি থাকতে জিতে যায় স্কর্চার্স।
তবে স্কর্চার্সের কোচ অ্যাডাম ভোজেস পরে একহাত নেন আম্পায়ারদের। তিনি সাফ বলেন, ‘আমরা জানতাম এটা সপ্তম বল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের হল, আম্পায়াররা তা জানতেন না। ব্যাটিং দল হিসেবে ওভারে সাতটা বল হলে অবশ্যই আপত্তির কিছু থাকে না। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের তার মাসুল দিতে হয়েছে। এটা একেবারেই আদর্শ পরিস্থিতি নয়। আর আম্পায়ারের কাজই হল প্রত্যেক ওভারের বল গোনা।’




